আলোচিত সংবাদ
সত্যের কথা বলে

জগন্নাথপুরে বাবা-মেয়েকে নির্যাতন: শামীম ৭ দিনের রিমান্ডে

সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুরে তরুণী নির্যাতন ও তার বাবাকে পিটিয়ে আহত করার ঘটনার প্রধান আসামি শামীম মিয়াকে ৭ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত। রোববার (১১ অক্টোবর) জগ্ননাথপুরে আদালতের জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট শুভ দীপ পাল এ আদেশ দেন। এ ছাড়া এ মামলার অপর ৫ আসামিকে একদিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত।

এ মামলার অন্য আসামিরা হলো: লিটন মিয়া, আক্কাই হোসেন, ইলাক উদ্দিন, কাজল মিয়া, শাহ আলম খান। সকালে তাদের আদালতে হাজির করা হয়। শুনানি শেষে আদালত তাদের এ রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা জগন্নাথপুর থানার এসআই ফিরোজ মিয়া রিমান্ডের বিষয়টি নিশ্চিত করছেন।
বিভিন্ন জায়গা থেকে তাদের আটকের পর জগন্নাথপুর থানা-পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়। এ মামলার প্রধান আসামি শামিমকে ১০ দিন ও লিটন মিয়া (৪৫) ইলাক উদ্দিন (৩৩), আক্কা হোসেন (৩৫), শাহ আলম খান (২৮) কাজল মিয়াকে (৩৭) ৫ দিনের রিমান্ড আবেদন করেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা জগন্নাথপুর থানার এসআই ফিরোজ মিয়া। শনিবার (১০ অক্টোবর) বিকেলে জগন্নাথপুর আমলি আদালতে এ রিমান্ড আবেদন করা হয়।
নির্যাতনের শিকার এ তরুণীর বাবা বলেন, ২০১৮ সালের সেপ্টেম্বর মাসে শামীম আমার মেয়েকে বিয়ের প্রস্তাব দেয়। মেয়ে বিয়ের প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় জোরপূর্বক তাকে গুতগাঁও গ্রাম থেকে ধরে নিয়ে গিয়ে ধর্ষণ করে। এরপর থেকে তার ওপর নিয়মিত নির্যাতন করে আসছিল সে। তার নির্যাতন সহ্য করতে না পেরে হবিগঞ্জের নবীগঞ্জে গৃহপরিচারিকার কাজ নিয়ে আত্মগোপন করে সে। সেখানে গিয়েও তাকে তুলে নিয়ে যায় শামীম ও তার বাহিনীর লোকজন। এ ঘটনার প্রতিবাদ করলে আলীগঞ্জ বাজারে ভাড়া বাসায় ধরে নিয়ে গিয়ে আমাকে নির্মমভাবে পিটিয়ে আহত করে আসামিরা।
এ ঘটনায় নির্যাতনের শিকার ওই তরুণী জগন্নাথপুর থানায় ছয়জনকে আসামি করে নারী ও শিশু নির্যাতন আইনে একটি মামলা দায়ের করেন। ঘটনার পর বিভিন্ন স্থান থেকে অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করে পুলিশ।
শুক্রবার শামীমকে গ্রেফতার করার পর শনিবার আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়। শামীমের বিরুদ্ধে হবিগঞ্জ নবীগঞ্জ থানা ও সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুর থানায় ৫টি মামলা রয়েছে।

উত্তর দিন

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রচার করা হবে না.