আলোচিত সংবাদ
সত্যের কথা বলে

এনআরবির সাবেক পরিচালক মোঃ কামরুল হাসানের বিরুদ্ধে টাকা আত্মসাতের মামলা

স্বপ্ন রোজ: এনআরবি ইক্যুইটি ম্যানেজমেন্ট লিমিটেড থেকে বিপুল পরিমাণের টাকা আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে সাবেক পরিচালক মোঃ কামরুল হাসানের বিরুদ্ধে। টাকা আত্মসাতের ঘটনায় এনআরবি ইক্যুইটি ম্যানেজমেন্ট লিমিটেড মামলা করেছে। যার সি আর মামলা নং ৬৮৫/২০

জানা যায়-সাবেক পরিচালক মোঃ কামরুল হাসানের কার্যক্রম সন্দেহভাজন মনে হলে এনআরবি ইক্যুইটি ম্যানেজমেন্ট তাকে চিঠির মাধ্যমে অবগত করে বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা করার জন্য কিন্তু জনাব কামরুল হাসান পরপর তিনবার কোন মিটিং এ উপস্থিত হননি এবং এনআরবি ইক্যুইটি ম্যানেজমেন্ট লিমিটেডের সাথে যোগাযোগ বন্ধ করে দেয়।এনআরবি ইক্যুইটি ম্যানেজমেন্ট লিমিটেড একাধিকবার মোঃ কামরুল হাসানের সাথে যোগাযোগ করার চেষ্টা করে ব্যর্থ হয়ে অডিট ফার্ম সিরাজ খান বসাক এন্ড কোম্পানির দ্বারা অডিট করে। উক্ত অডিট রিপোর্টে প্রায় ৩৩ কোটি টাকা আত্মসাতের বিষয়টি উঠে আসে।

এনআরবি ইক্যুইটি ম্যানেজমেন্ট লিমিটেড আলোচিত সংবাদকে জানান -এনআরবি ইক্যুইটি ম্যানেজমেন্ট লিমিটেডের সাবেক পরিচালক মোঃ কামরুল হাসানের বিরুদ্ধে ৩২ কোটি ৪৮ লাখ ৭৭ হাজার ৪৪৬ টাকা আত্মসাতের মামলা হয়েছে। বর্তমানে বিজ্ঞ সিএমএম কোর্ট তার নামে ওয়ারেন্ট ইস্যু করেছে। যা ভাষানটেক থানায়। ওয়ারেন্ট জারি হওয়ার পর থেকে কামরুল হাসান পলাতক। তাকে কোথাও পাওয়া যাচ্ছে না। তিনি বর্তমানে বাসায় নেই, অফিসেও নেই। মামলাটি হয়েছে সম্পূর্ণ অডিট রিপোর্টের উপর ভিত্তি করে।

এ বিষয়ে এনআরবি ইক্যুইটি ম্যানেজমেন্ট লিমিটেডের সাবেক পরিচালক মোঃ কামরুল হাসানের সাথে যোগাযোগ করার জন্য ফোন করলে তার ব্যবহৃত মোবাইল নাম্বারটি বন্ধ পাওয়া যায়।

আলোচিত সংবাদ / ১৪-১০-২০২০

৪ মন্তব্য
  1. Kamrul বলেছেন

    Placement share ক্রেতারা সতর্ক হোন: কাজী সাইফুর রহমান FCA (Placement কারসাজীকারী), মো: ফরিদ আহমেদ(বিনা license এ placement ফেরিওয়ালা), মো: মনিরুজজামান চৌধুরী (সাইফুরের চামচা চেয়ারম্যান), client দের প্রতারনার মাধ্যমে placement এর বিপুল পরিমানে টাকা আত্নসাত করে পুজিবাজার থেকে গা ঢাকা দিয়েছে। তারা সবাই বিদেশে পলায়নের চেষ্টা করছে। কাজী সাইফুরের চারটি ফোনই বন্দো। কোন বিনিয়োগকারী ও সাংবাদিক তাকে খুঁজে পাচ্ছে না। তার অন্যান্য আত্নীয় স্বজনও ফোন ধরছে না। অফিস ও বাসায়ও খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। একটি আইন প্রয়োগকারী সংস্থার লোক টাকা ও সাইফুরকে না পেয়ে তার অফিসের কর্মচারীদের কান ধরে উঠ বস করিয়েছে। placement ফেরিওয়ালা ফরিদও বাসা ও অফিস পরিবর্তন করে ফেলেছে। সম্প্রতি তার ৬ টি IPO BSEC cancel করাতে বিনিয়োগকারীরা তার কাছে টাকা ফেরত চায়। কিন্তু সে লিখিত guarantee দিলেও টাকা ফেরত দিতে ব্যর্থ হয়। তাই, সে পালিয়ে বেড়াচ্ছে। সাইফুরের চামচা মনিরুজজামান ও অফিসে আসা বন্দো করে দিয়েছে। কোন বিনিয়োগকারী ও সাংবাদিক তাকে খুঁজে পাচ্ছে না। অর্ধেক সময় অফিসে তালা ঝুলে। চোরের মত আসে চোরের মত যায়। কাজী সাইফুর ও মাহমুদ মালিক (কাজী সাইফুরের অর্থ আত্নসাতের partner;পিকে হালদারের ঘনিষ্ট friend ও দুদক মামলার আসামী)শেয়ার বাজার থেকে বিপুল পরিমান টাকা লুটে যথাক্রমে মালয়েশিয়া ও আমেরিকা, সুইডেন এ হুন্ডির মারফত বিপুল অংকের টাকা পাচার করেছে। যার কিছু প্রমান আমার হাতে এসেছে। কাজী সাইফুর ও ফরিদ ও তাদের সহযোগিরা অনেক client দের থেকে টাকা নিয়ে শেয়ার দিচ্ছে না; এক শেয়ার দুই তিন বার বিক্রি করেছে; জাল সই দিয়ে শেয়ার অদল বদল করছে; client দের টাকা নিয়ে মউজ মাসতি করেছে; মিথ্যা মামলা দিচ্ছে; তাই, এইসব লোকদের সাথে লেনদেনের ব্যাপারে সতর্ক থাকুন। তাদের সাথে নতুন বিনিয়োগ না করে, পুরাতন বিনিয়োগ recover করুন। এই প্রতারক চক্র কে পুঁজিবাজার থেকে তাড়িয়ে দিন। এদেরকে পারিবারিক ও সামাজিকভাবে বর্জন করুন। আইনপ্রয়োগকারী সংস্থাকে অতি সত্তর জানিয়ে রাখুন। নিদেন পক্ষে পল্টন থানায় GD করুন। BSEC কে জানান।

    1. আলোচিত সংবাদ বলেছেন

      জনাব আমরা আপনার তথ্য পেলাম ‍shopnoroj@gamil.com এই ইমেলে আপনার কাছে থাকা প্রমাণ পত্র দিয়ে নিউজ করার জন্য সহযোগিতা করুন । ধন্যবাদ

  2. Kamrul বলেছেন

    বিশেষ সতর্কীকরণ বিজ্ঞপ্তি (আমার কথার সকল প্রমানসমূহ প্রতি শনিবার আমাদের গুলশান অফিসে সারাদিন প্রদর্শণীর ব্যবস্থা রয়েছে): (ক)মূল মিথ্যাবাদী কাজী সাইফুর রহমান FCA;(খ)ভাড়াটে মিথ্যাবাদী চেয়ারম্যান মো: মনিরুজজামান চৌধুরী; (গ)ভাড়াটে ক্ষমতাশালী ব্যক্তিত্ব মাহমুদ মালিক; (ঘ)ভাড়াটে তোতাপাখী মিথ্যাবাদী শাহানা তাসনিন লোপা,মূল মিথ্যাবাদীর wife। (ঙ) মুল মিথ্যাবাদীর partner চিটার বাটপার বিনা license এ placement ফেরিওয়ালা, মো: ফরিদ আহমেদ। (১) উপরিউক্ত ব্যক্তিবর্গের সাথে যেকোন চুক্তির ব্যাপারে সতর্ক থাকুন। তারা চুক্তি করে,কিন্তু তা পালন করে না। (২) তারা সারাক্ষন মিথ্যা কথা বলে। কোরান শরীফ ছুঁয়ে কথা বলতে বললে পিছিয়ে যায়। তার মানে মিথ্যা কথা বলতেছে।(৩) তারা মানুষের পাওনা টাকা নিয়ে ঘুরায় (৪) তারা হঠাৎ করে চুক্তির বাইরে যে কোন উশিলায় টাকা কেটে রাখে। (৫) তারা আপনার বিনিয়োগ করা টাকা যে কোন উপায়ে খেয়ে ফেলবে। (৬) তারা মুনাফা দেওয়ার কথা বলে, না দিয়ে ঘুরাবে। তাদের guaranteeএর এক পয়সাও দাম নাই। (৭) তাদের সাথে কথা বললে প্রতিটা কথা রেকর্ড করুন। তাদের কোন প্ররোচনামূলক মিষ্টি কথায় ভুলবেন না। (৮) তারা যেকোন সই জাল করে, তাই, যেকোন চুক্তি stampএ করুন; মূল সই ও মূল stamp কপি আপনার সাথে রাখুন; চারজন সাক্ষী রাখুন;সবার বিস্তারিত Address & NID চুক্তিতে উল্লেখ করুন; চুক্তি না মানলে, সাথে সাথে থানায় GD করুন ও আইনগত ব্যবস্থার দিকে এগিয়ে যান। এক মূহুর্ত দেরী করবেন না। (৯) এরা আপনারই পাওনা টাকা দিয়ে আপনাকে মিথ্যা মামলা দিবে ও মাস্তান লেলিয়ে দিয়ে সময় ক্ষেপন করবে। (১০) এরা সারাজীবন একবারই আপনার সাথে ব্যবসা করবে। আপনার টাকা হজম করে অন্য নতুন Client ধরবে। (১১)এরা বেআইনী কাজ করে আপনাকে আইনী পথে আছে বলে বুঝাবে। কিন্তু ধরা খাওয়ার পর বুঝবেন যে আপনি আর কোর্টে বিচার চাইতে পারবেন না। কারন,কাজটিই তো বেআইনি ছিল। ততক্ষনে আপনার টাকা হজম করে ফেলেছে। (১২) এরা অস্তিত্ব হীন ভুয়া Companyএর জাল Accounts বানিয়ে ফুলানো IPO তে আপনাকে বিনিয়োগ করিয়ে সারাজীবন আপনার টাকা আটকে ফেলবে। কিন্তু আপনার টাকার ভাগ ঐ Company থেকে ওরা নিয়ে নিবে।(১৩)ওদের কথায় কোন বিনিয়োগ করলে সব চুক্তি ব্যারিষটার দিয়ে করুন। প্রতিটা কথা চুক্তি করুন। এক চুক্তির সমর্থনে ১০০ supplementary চুক্তি করুন। চুক্তির বন্যা বইয়ে দিবেন(১৪) এদের সাথে কোন ক্যাশ লেনদেন করলে,বিস্তারিত চুক্তির মাধ্যমে করুন। এদের মুখের কথা বিশ্বাস করবেন না। (১৫) এরা একবার আপনার টাকা মেরে দিয়ে, পরের বার লাভ পুষিয়ে দেওয়ার কথা বলে আবার আপনার বিনিয়োগ চাইবে। খবরদার,২য় বার এই প্রতারকদের খপ্পরে পড়বেন না।(১৬) এরা আপনার পাওনা টাকা দিয়ে বিভিন্ন সংস্থা ও সাক্ষী কিনে ফেলবে। টাকা ছড়িয়ে ভাড়াটে চেয়ারম্যান,বোর্ড সদস্য, ক্ষমতাশালী লোক,মিথ্যাবাদী মিডিয়া জোগাড় করে বিভিন্ন অপপ্রচার চালাবে।(১৭) এরা আপনারই পাওনা টাকা দিয়ে বছর বছর হজ্জ ও উমরা করে তাদের পাপ মোচন করে। (১৮) বিনা প্রমানে এদের কাছে কোন টাকা/শেয়ার ফেলে রাখবেন না। টাকা জীবনেও ফেরত পাবেন না ও শেয়ার অন্য জায়গায় বিক্রি করে দিয়ে টাকা খেয়ে ফেলবে। (১৯) এরা সবাই পাঁচ ওয়াকতো নামাজী, কিন্তু জায়নামাজ থেকে উঠেই মিথ্যা কথা বলে। (২০) এদের অধিকাংশেরই বিদেশে second home আছে, তাই, বিপদ দেখলে পালিয়ে যাবে। (২১) তারা জাল Accounts ও জাল ভাউচার বানানোতে পটু। দিনকে রাত বানানো এদের কাছে ভাতমাছ। (২২) এদের কাছে পাওনা টাকা থাকলে সাথে সাথে নিয়ে নিন। এক মিনিটও ফেলে রাখবেন না। (২৩) এদের নেতা কাজী সাইফুর রহমান BSEC দ্বারা প্রমানিত Chartered চোর ও পাঁচ বছর নিষিদ্ধ ছিল। সে বেনামে বিভিন্ন Company এর accounts এ চুরির কাজ করে, যাতে কেউ তাকে ধরতে না পারে। তাই,এর সাথে কোন চুক্তির আগে এর চুক্তি করার legality জেনে নিন। ওঁকে আপনার কোন original document দিবেন না। তাহলে, ভবিষ্যতে আপনাকে জিমমি করবে। মূহুর্তের মধ্যে ফোন, বাসা,অফিস পরিবর্তন করে ফেলে। মিটিং এ ব্যস্ত দেখায়। বাটপার আরকি!!! (২৪) এরা আপনার কাছে টাকা আছে জানলে নানা কৌশলে তাদের পকেটে নেওয়ার চেষ্টা করবে আর স্বার্থ উদ্বার হয়ে গেলে পাছায় লাথি মারবে।(২৫)এই প্রতারক চক্রের বিরুদ্ধে পল্টন থানায় আমি ৩টি GDতে বিস্তারিত document জমা দিয়েছি এবং অতি শীঘ্র মামলা করবো। (২৬) এরা বেশ ভুষায় অত্যন্ত কেতা দূরসতো ও অতি উচ্চ পর্যায়ের আন্তর্জাতিক মানের প্রতারক ও বিশ্বাস ভংগোকারী। (২৭) এরা চালচুলাহীন;আমার আনা Client দের টাকা আত্নসাত করে নব্য ধনী। শঠতা আর প্রতারনায় বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন। সাতকূলে এদের কেউ কখনও টাকা দেখেনি।(২৮) এরা আপনাকে বড় client ধরে দেওয়ার বিনিময়ে মোটা অংকের কমিশন অফার করবে,কিন্তু client পাওয়ার পর,নিশ্চিত আপনাকে ভুলে যাবে। এদের বুক-পিঠ সমান;চোখ উলটানো বিশ্বাসঘাতক।(২৯) উপরের কথাগুলা তাদের সাথে মেশার পর আমার বাস্তব অভিজ্ঞতা থেকে লেখা এবং আপনাকে নতুন নতুন প্রতারনার হাত থেকে বাঁচানোর জন্য পাঠানো। ধন্যবাদ,
    মো: কামরুল হাসান, Director (ceased), NRB Equity Management Ltd.

  3. Kamrul বলেছেন

    আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা, বানোয়াট, হয়রানীমুলক মামলার সাধারণ বিষয়াবলী বিশ্লেষনঃ
    (১) বাদী, NRB Equity Management Ltd, বিবাদী মো: কামরুল হাসান এর অর্থ আত্মসাতের ব্যাপারে কোন নিরপেক্ষ তদন্ত কমিটি করে নাই। কোন সাক্ষ্য প্রমান গ্রহন করে নাই। অর্থ আত্মসাত সংক্রান্ত কোন কাগজ পত্র বিবাদীর সামনে উপস্থাপন করে নাই। কোন লিগ্যাল নোটিশ প্রদান করে নাই। AOA অনুযায়ী Arbitration এর ব্যবস্থা থাকলেও সে পদ্ধতিও অনুসরণ করে নাই। একই ভাবে Magistrate সাহেবও মামলার পূর্বে কোন অনুসন্ধান দেয় নাই। তাই, এই মামলা উদ্দেশ্য প্রনোদিত, মিথ্যা, বানোয়াট ও হয়রানিমুলক।
    (২) বাদীর প্রতিষ্ঠান BSECতে নিবন্ধিত , লাইসেন্স প্রাপ্ত ও primary Regulator বলে বিবেচিত হলেও, সেখানে গত ৫ বছরে বিবাদীর বিরুদ্ধে কোন অভিযোগ দায়ের করে নাই। BSEC Act 1993 এর ধারা ১৭ থেকে ধারা ২৩ অবধি BSEC কে সম্পূর্ণ Civil Court এর সমপরিমাণ ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে। এবং কোন অভিযোগকারী BSEC দ্বারা বিচারে সন্তষ্ট না হলে সেশন জজ আদালতের নীচে অভিযোগ দায়ের করতে পারবে না বলে বলা আছে। যেহেতু, বাদী BSEC নিবন্ধিত, তাই BSEC তে প্রাথমিক অভিযোগে সে বাধ্য। কিন্তু, বাদী সম্পূর্ণ Bad Intention নিয়ে নিন্ম আদালত CMM Courtএ এই মামলা দায়ের করেছে।
    (৩) বাদী যে ধারায় অভিযোগ দায়ের করেছে, সে ধারা দুটি দুদক আইনের আওতাধীন। কিন্তু বাদী দুদকে অভিযোগ দায়ের না করে, দুদকের অনুসন্ধান এড়িয়ে যাওয়ার জন্য সরাসরি নিম্ন আদালতে অভিযোগ দায়ের করেছে, যা কিনা অনুসন্ধানের পর দুদকের করার কথা। দুদকের অনুসন্ধানে থলের বিড়াল বের হয়ে আসবে এবং তারা চোর/ডাকাত প্রমানিত হবে বিধায় তারা দুদককে এড়িয়ে গেছে। (৪) যে কোন Financial Claims এর মামলা Civil Courtএর বিষয়বস্তু হলেও নিম্ন আদালতে রঙ চং লাগিয়ে Criminal court এ মামলা করেছে বাদী। বিষয়বস্তু Partners দের পাওনা/দেনার হলেও এবং Company Court matters হলেও তা কিভাবে Criminal Court এর বিষয় হতে পারে? এই আদালতের কি এই Jurisdiction আছে?
    (৫) বাদী চাকুরীজীবি CEO মারফত মালিকদের disputed বিভিন্ন issue নিয়ে একটি financial claims এর চিঠি পাঠায় বিবাদীকে। যা, বিবাদী যথাযথভাবে জবাব দেয়। কিন্তু মামলায় ঐ বিষয় থেকে মাএ ৩/৪ টা বিষয় উল্লেখ করা হয়। বাকীগুলো ১৫ এর অধিক বিষয় রাতারাতি নতুন সংযোজন, সে বিষয়ে কোন পূর্ব চিঠি বা কোন লিগ্যাল নোটিশ দেওয়া হয়নি বিবাদীকে।
    (৬) বিবাদী কতৃক টাকা আত্মসাতের বিষয়ে বিগত ৫ বছরে থানায় বা BSEC বা আদালতে কোন অভিযোগ দেওয়া হয়নি। এমনকি একই Auditor এর করা ২০১৫, ২০১৬, ২০১৭, ২০১৮ এর Audit Report এ উল্লেখিত হয়নি যে বিবাদীর কাছে বাদী এই টাকা পাবে। Zero liabilityএর বিবাদী হঠাৎ করে বিপুল অংকের liability এর মালিক হলো কিভাবে?
    (৭) Special Auditor Ramendranath Bosak কাজী সাইফুর রহমানের ঘনিষ্ঠ বন্ধু। তাই, এই Audit biased. তাছাড়া এই Auditorএর বাজারে অনেক দূর্নাম।একই Auditor এর করা NRB EML এর Audit ২০১৫, ২০১৬, ২০১৭, ২০১৮ ও BSEC তে জমা দেওয়া ২০১৯ সালের Inspection Reportএ বিবাদীর এত টাকা আত্নসাত করার কোন কথা নাই। এটি শত্রুতা মুলকভাবে হঠাৎ করে সৃষ্ট। Special Auditor তার findings নিয়ে বিবাদীর সাথে বসলো না কেন? বিবাদীর কোন বক্তব্য বা কাগজ না দেখে কিভাবে তাকে বিভিন্ন liabilities এর trap এ ফাঁশালো ? তাই, আন্তর্জাতিক মানের Auditor দিয়ে Audit করলে সব সত্য বের হয়ে আসবে। (৮)১৯৬৯ সালের Securities & Exchange Ordinance এর Section 25 মতে: “cognizance of offence”: No court shall take cognizance of any offence punishable under this Ordinance except on a report in writing of the facts constituting the offence by an officer authorized in this behalf by the [Commision]; and no court inferior to that of a court of session shall try any such offence.
    উপরের Section পড়লে বুঝা যাচ্ছে যে, এই মামলা নিন্ম আদালত CMM Court এ দায়ের করা রীতিমত আরেকটি Ondinance এর লংঘন, যা সরকার কর্তৃক জারীকৃত।যেহেতু এটি শেয়ার বাজার সংক্রান্ত; Portfolio Management সংক্রান্ত ;মক্কেলদের অর্থ আত্মসাৎ সংক্রান্ত; যা শেয়ার ক্রয়ের জন্য রাখা বা শেয়ার বিক্রির টাকা; তাই, এটি সরাসরি BSECতে বা বিচারে সন্তুষ্ট না হলে Senior Session Judge Court এর নিচে বিচার চাওয়া যাবেনা।এক্ষেত্রে, বাদী তার উকিলের মাধ্যমে অপকৌশল খাটিয়ে BSECতে না গিয়ে, নিন্ম আদালত CMM Court এ মামলা করার মাধ্যমে বিবাদীকে হয়রানি করছে। BSECএর অনুসন্ধানে থলের বিড়াল বের হয়ে আসবে এবং তারা চোর/ডাকাত প্রমানিত হবে বিধায় তারা BSECকে এড়িয়ে গেছে।
    (৯) মামলার বিবাদী কখনো Finance & Accounts Dept. of NRB EML এ চাকরি করে নাই। এ বিষয়ে তার কোন নিয়োগপত্র নাই।সে Business Development & marketing এ কোমপানীকে সহায়তা করতো। যে বিষয়ে NRB EML এর সাথে তার চুক্তি রয়েছে। মামলার বিবাদী কখনোও Principal Signatory ছিলো না। কোন Board Resolution এ Principal Signatory হিসাবে তাকে দায়িত্ব দেওয়া হয় নাই। বরং কিছু কিছু Board Resolutionএ Ms. Roksana Begum (অন্য Signatory, কাজী সাইফুর রহমানের আপন বোন) এর সই ছাড়া টাকা উঠানো যাবে না বলে উল্লেখিত আছে। আমাদের কোম্পানী আইনে Principal Signatory বলে কোন শব্দ নাই। আইনের দৃষ্টিতে সকল Board Authorized Signatory সমান। তাছাড়া, Vault, চেক বইগুলো রোকসানা বেগমের কাছে থাকতো। সে টাকা উঠানোর আগে সব Directorদের অনুমতি নিত ও আরও ৩জন কর্মচারীর সই নিত। ব্যাংকে টাকা ছাড় করার আগে Exclusively রোকসানা বেগমকে ফোন দিতো। বিবাদীকে ব্যাংক কোনদিন ফোন দেয় নাই। বিবাদীর সই অনেক সময় ব্যাংকে জাল হয়ে থাকতে পারে, যা তদন্তের পর বলা যাবে।
    যেমনঃ বিবাদী কখনোও সশরীরে ব্যাংকে যেত না, কিন্তু তার নামে কে বা কারা টাকা উঠিয়েছে তা তদন্ত সাপেক্ষ। অধিকাংশ সময় কাজী সাইফুরের আত্নীয় স্বজন ও অফিসের কর্মচারীরা টাকা উঠাতো, যারা এখনও বহাল তবিয়তে ঐ চাকরিতেই আছে। (১০) যৌথ Signature এর সব টাকা Payment হয়েছে। তাই, অন্য Signatoryও একই অপরাধে আসামী হওয়ার কথা। যার/ যাদের নামে বিবাদী টাকা নিয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে, তারাও তো আসামী হওয়ার কথা।রহস্যজনক কারনে তাদের আসামী করা হয়নি। কারন, এই মামলা Malafide intention নিয়ে শুধু বিবাদীকে হয়রানী করার জন্য করা হয়েছে। NRB EML এ Signatory রা কে,কি, কিভাবে, কি প্রক্রিয়ায় সই করবে, তার কোন সুষ্ঠু Guideline, Board থেকে ছিল না।তবে এককভাবে টাকা নেওয়া অসম্ভব ছিল।
    ৫ বছরে কেবল ২টি চেক বিবাদীর নামে।যা আবার কিনা যথাযথ ভাবে যৌথ সাক্ষরে আরেক Account থেকে বিবাদীকে দেওয়ার জন্য bank transfer এর মাধ্যমে আনা হয়েছে। তাহলে অপরাধ কোথায়? এটি কি আত্নসাতের নাটক নয়?
    (১১) NRB EML এর প্রতিনিধি মাহমুদুল হক স্বপ্নন (বাদীর প্রতিনিধি) কোনদিন এই সংক্রান্ত Portfolio Fund Management পদে চাকুরী করে নাই। সে Admin staff ও সে কাজী সাইফুর রহমানের আত্নীয় ভায়রা। কাজী সাইফুর রহমানের পরিবার NRB EML গ্রাস করতে গেলে, বিবাদী তাদেরকে বাঁধা দেয়। তাই ষড়যন্ত্র মূলক ভাবে এ মামলা সাজানো হয়। বিবাদী NRB EMLএর একজন শেয়ার হোল্ডার (৩২%) ও Director ছিলেন। সুতরাং কোম্পানীর ক্ষতি হয় এমন কিছু উনি পছন্দ করতেন না। বিবাদী NRB EML ও অন্যান্য মালিকদের থেকে Consultancy Service এর ফি বাবদ অনেক টাকা পাবে এবং বিবাদীর Client রাও অনেক টাকা/শেয়ার পাবে।বিবাদীএই টাকা/শেয়ার উদ্ধারে মনোযোগী হলে, সবাই মিলে তাকে হয়রানীমূলক মামলা দেয়ার পরিকল্পনা করে। CEO সাহেব কাজী সাইফুরের পোষ্য হিসাবে কাজ করে। সবাই মিলে বিবাদীর টাকা লুটপাটের ষড়যন্ত্রে মেতে উঠে।
    (১২) একটি Marchant Bank সাধারণ কোন কোম্পানী নয়। এটি BSEC দ্বারা highly monitored ও supervised. এটির পরিচালনার জন্য আলাদা নিয়ম কানুন আছে। এটির CEO নিয়োগ ও বরখাস্ত BSEC এর এখতিয়ার। এটি একটি শক্তিশালি Corporate Management দিয়ে চলে। এখানে ব্যক্তি Director একক ভাবে কোন সিদ্ধান্ত ও টাকা নিতে পারে না। Chairman/MD/ CFO/Manager/Executive সহ ৩০ জন staffএর কাজ কেন একজন Director (বিবাদী) করবে?
    (১৩) প্রতি মাসের BSECএর Monthly Report এ কোন অর্থ আত্নসাত Mention করা হলো না কেন? Bangladesh Bank এর BFIU কে জানানো হয়নি কেন? পাঁচ বছর আগের দূর্নীতি এখন কিভাবে আসল? আইনীভাবে claim time তো পার হয়ে গেছে। এটি হয়রানী ছাড়া আর কিছু না।
    (১৪) বিবাদী অধিকাংশ Consultancy কাজ ও Client Money NRB EMLএ নিয়ে এসেছে। আর বাকি অন্য মালিকরা হচ্ছে ভোক্তা মাত্র।অধিকাংশ Client এর Positive Balance থাকা স্বাপেক্ষে তারা তাদের নিজের টাকা নিয়ে গেছে। এতে দোষের কিছু নাই।স্বাভাবিক Client লেনদেন কখনোও অর্থ আত্নসাত হতে পারে না।বাদীর অভিযোগ সম্পুর্ণ কল্পনা নির্ভর। Client তার টাকা উঠিয়ে যাকে খুশী তাকে দিবে, তাতে বাদীর কি আসে যায়?
    (১৫) বাদী পক্ষই বিশ্বাস ভঙ্গ ও প্রতারনা করেছে।কারন তারা বিবাদীর সাথে নানারকম চুক্তি করেছে, কিন্তু তা যথাযথ ভাবে পালন করেনি।
    (১৬) যখন টাকা ছিলো না, তখন Board এ কেউ আসতে চায় নাই, যেই বিবাদী টাকা নিয়ে আসলো, ওমনি সবাই Board এ Director আর ব্যাংকে এ Signatory হতে চায়। বিবাদীর Client দের টাকা সুপরিকল্পিত ভাবে মেরে খাওয়ার জন্য। বিদেশে পাচারের জন্য।
    (১৭) বিবাদীর সাথে সব Director / Principal Shareholder দের সার্বক্ষণিক যোগাযোগ ছিলো।বিবাদীকে Marketing এর জন্য কমিশনে উৎসাহিত করা হয়। কিন্তু কমিশনের টাকা বাদী ভুয়া হিসাব দেখিয়ে মেরে খায়। বাদী প্রতিষ্ঠানের মালিকরা সবকিছু জানতো এটি কাগজ দিয়ে প্রমান করা সম্ভব, যদিও তারা তা অস্বীকার করছে।
    (১৮) এই মামলায় যতগুলো লোক স্বাক্ষী হিসাবে আছে, তারা সবাই কাজী সাইফুরের লোক ও বেতনভুক্ত। অনেকেই কাজী সাইফুরের অন্য কোম্পানীর কাজের সাথেও যুক্ত। তাই, এদের সাক্ষ্য পক্ষপাত দুষ্ট। মিথ্যা সাক্ষ্য না দিলে এদের চাকরী থাকবে না।
    (১৯) CCA এর টাকা অনেককে দেয়া হয়েছে যাদের কোন account NRB EMLএ নাই বা পূর্নর বিনিয়োগ করা হয়েছে, তার সবই CCA এর Suspense A/C এর টাকা, যা কোন Clientদের টাকা না। এই টাকা বিবাদী সহ সকল মালিকদের, যা এখনো ভাগাভাগি হয়নি। সব বিনিয়োগেই majority Shareholders দের সম্মতি আছে। যার প্রমান যথাযথ আদালতে দাখিল করা হবে।
    (২০) বিবাদীকে Director হওয়া সত্ত্বে অফিসে ঢুকতে ও কাগজপত্র নিতে দেওয়া হয় না।অনেক গুরুত্ত্বপূর্ন বিষয়ই Board এ উঠানো হতো না। ৩টি ভুয়া মিটিং দেখিয়ে ষড়যন্ত্রমুলক ভাবে বিবাদীকে Board থেকে Director হিসাবে বাদ দেওয়া হয়েছে। সর্বশেষ মিটিংএ পল্টন থানা থেকে পুলিশসহ উপস্থিত হলেও কাউকেই নির্ধারিত সময়ে মিটিংয়ে পাওয়া যায় নাই। তাই, বাদী যদি সত্য হবে, কাগজে তাদের এত ভয় কেন? Accounting software কিনে দেওয়ার পরেও চুরি করার জন্য Manually accounts করা হতো কেন? (২১) তিনটি Audit নিরপেক্ষ ভাবে করলে কে আসল চোর তা বের হয়ে আসবে আর জাল accounts বানিয়ে বিবাদীকে ফঁাসানোর ষড়যন্ত্র উন্মোচিত হবে: (ক) গত পাঁচ বছরের NRB EML এর Accounts Audit (খ) চুক্তি অনুযায়ী Partners দের পাওনা দেনার হিসাব Audit (গ) Information Systems Audit.
    এখন, বাদী এসব Audit এ রাজী কিনা জিগগাসা করেন তো ? রাজী হবে না, কারন, তারাইতো চোর/ডাকাত। বাদীর বানানো জাল হিসাব আর জাল ভাউচার দিয়ে এ মামলা আদৌ চলবে তো?

উত্তর দিন

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রচার করা হবে না.