আলোচিত সংবাদ
সত্যের কথা বলে

জাতীয় দলের বাইরে থাকা ক্রিকেটারদের জন্যও সমান সুবিধা চান ইমরুল

বিপিএলের আদলে বঙ্গবন্ধু টি-টোয়েন্টি কাপের দল গঠনের দায়িত্ব সংশ্লিষ্ট টিম ম্যানেজমেন্টের হাতে থাকলেই, আসরের প্রতিদ্বন্দ্বিতা বাড়বে। এমনটাই মনে করেন ইমরুল কায়েস। এদিকে, জাতীয় দল ও পাইপলাইনের ক্রিকেটারদের পাশাপাশি পুলের বাইরে থাকা খেলোয়াড়দের অনুশীলনের সুযোগ-সুবিধার বিষয়েও বিসিবির সুনজর চান ইমরুল। 
প্রেসিডেন্টস কাপের ফাইনালের পর গণমাধ্যমে বিসিবি সভাপতি বলেছিলেন, স্পন্সররা চাইলে টি-টোয়েন্টি টুর্নামেন্টের পাঁচ দল ড্রাফটের মাধ্যমে গঠন করা হবে। এরপর অবশ্য এ নিয়ে কোনো অগ্রগতি জানাতে পারেননি বোর্ড কর্তারা।
সুনির্দিষ্ট কোনো নির্দেশনা না থাকলেও, নিজেদের পরিকল্পনা সাজিয়ে রাখছেন বলেই দাবি নির্বাচকদের। প্রেসিডেন্টস কাপের মতোই সব দলে ক্রিকেটার বন্টনের খসড়া তালিকা করে রাখছেন তারা। কিন্তু, টি-টোয়েন্টি আসরে এ প্রক্রিয়ার পক্ষে নন অনেক ক্রিকেটারই।
জাতীয় দলের অভিজ্ঞ টপঅর্ডার ব্যাটসম্যান ইমরুল কায়েস বলেন, ফ্র্যাঞ্চাইজি ক্রিকেট হলে, সেটা প্রতিযোগিতামূলক একটা আসর। যদি দল সাজিয়েই দেয়া হয়, তাহলে তো প্রেসিডেন্টস কাপের মতোই হয়ে গেলো। মালিকানায় থাকলে দল নিয়ে তাদের পরিকল্পনা থাকে। কাকে কোথায় খেলাবে, সেটা প্ল্যান থাকে। আমার মনে হয়, এভাবে হলেই ভালো হয়। বিপিএলে যেমনটা হয়।
ইমরুল যে প্রতিদ্বন্দ্বিতার কথা বলছেন, সেখানে নামার আগেই পিছিয়ে পুলের বাইরে থাকা ক্রিকেটাররা। শাহরিয়ার নাফিস, মোহাম্মদ আশরাফুল, শামসুর রহমান শুভ কিংবা আরিফুল হক- জাতীয় দলের পথ হারানো খেলোয়াড়রা যেকোনো প্রতিযোগিতার জন্য তৈরি হতে কি মানসম্মত পরিবেশ পেয়েছে?
ইমরুল কায়েস বলেন, ন্যাশনাল টিমের পুলে থাকলে ক্রিকেটাররা সর্বোচ্চ ফ্যাসিলিটি পায়। কিন্তু পুলে না থাকলে তারা সেটা পায়না। তারা এসে এখানে (মিরপুর শের-ই-বাংলা জাতীয় স্টেডিয়ামে) প্র্যাক্টিস করার সুযোগ সবসময় পাচ্ছেনা। কিন্তু তারা যখন সর্বোচ্চ লেভেলের কোনো কম্পিটিশনে অংশ নিচ্ছে, তখন ন্যাশনাল টিমের ক্রিকেটারদের চেয়ে পিছিয়ে পড়ছে।
প্রেসিডেন্টস কাপে বায়ো-বাবলে আবদ্ধ থেকে খেলার অন্যরকম এক অভিজ্ঞতা হয়েছে ইমরুলের। করোনা মহামারির মাঝে পেশাদার ক্যারিয়ার এগিয়ে নেয়ার লক্ষ্যে খাপ খাইয়ে নিতে বেশ বেগ পেতে হচ্ছে বলেও জানান এই অভিজ্ঞ ক্রিকেটার।

উত্তর দিন

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রচার করা হবে না.