আলোচিত সংবাদ
সত্যের কথা বলে

আইসিসি চেয়ারম্যান হচ্ছেন না সৌরভ!

শশাঙ্ক মনোহর পদত্যাগ করার পর থেকে এখনও পর্যন্ত আইসিসি চেয়ারম্যানের পদ খালি। প্রায় ৬ মাসের মত সময় পার হয়ে গেছে। কিন্তু আইসিসির অভিভাবক পদে কাউকে নিয়োগ দেয়া সম্ভব হয়নি। এবার অবশ্য আর খালি থাকছে না। ডিসেম্বরের প্রথম দিকেই আইসিসির চেয়ারম্যান নিয়োগ হয়ে যাবে।

  1. এ নিয়ে কিছুদিন আগে একটি সার্কুলারও প্রকাশ করেছে আইসিসি। যেখানে বলা হয়েছিল প্রার্থীদের নামের তালিকা জমা দেয়ার জন্য। যদিও তখন আইসিসি থেকে নির্বাচন পদ্ধতি নিয়ে কিছু বলা হয়নি। ইলেকশন হবে না সিলেকশন হবে- সেটাও নিশ্চিত নয়।

শশাঙ্ক মনোহর পদত্যাগ করার পর থেকেই ভারতীয় মিডিয়ায় জোর গুঞ্জন, বিসিসিআই ছেড়ে এবার আইসিসির মসনদে বসতে পারেন সৌরভ গাঙ্গুলি। এ নিয়ে ভারতীয়দের মধ্যে দারুণ উত্তেজনাও কাজ করছিল।

কিন্তু শেষ পর্যন্ত বোঝা যাচ্ছে, প্রার্থীই হচ্ছেন না সৌরভ। আইসিসির চেয়ারম্যান হওয়া তো দুরে থাক। আপাতত বিসিসিআই সিদ্ধান্ত নিয়েছে আইসিসি চেয়ারম্যান পদে তারা কাকে সমর্থন জানাবেন, সে ব্যাপারে।

 

মাঝে শোনা গিয়েছিল, সিঙ্গাপুরের ইমরান খাজাকে সমর্থন জানাবেন। তবে ভারতীয় মিডিয়ার খবর, ‘আগামী আইসিসি চেয়ারম্যান নির্বাচনে নিউজিল্যান্ডের গ্রেগ বার্কলেকে খুব সম্ভবত সমর্থন দিতে যাচ্ছে ভারত।’ বিসিসিআইয়ের বিভিন্ন সূত্রের বরাত দিয়ে তারা জানাচ্ছে এ খবর।

আইসিসি চেয়ারম্যান পদে মাত্র দু’জন মনোনয়ন জমা দিয়েছেন। নিউজিল্যান্ডের গ্রেগ বার্কলে এবং সিঙ্গাপুরের ইমরান খাজা। বলা হচ্ছে, আইসিসির সর্বোচ্চ পদে খাজার বদলে বার্কলে থাকলে ভারতের অনেক বেশি সুবিধা।

 

অতএব, সিঙ্গাপুরের প্রার্থীকে সমর্থন করেও কোনো লাভ নেই। যদিও এখনই কোনো কিছু চূড়ান্ত নয়। যে কোনো সময় যে কোনো কিছু পরিবর্তন হতে পারে।

কারণ, আইসিসি চেয়ারম্যান নির্বাচনের এখনও একমাস বাকি। এই এক মাসে যদি খাজা ভারতীয় বোর্ডকে একই সুযোগসুবিধা দেন বা দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেন, যা কি না বার্কলে থাকলে ভারত পেত, তাহলে অঙ্ক আবার পাল্টে যেতে পারে।

তবে আপাতত বার্কলেকে সমর্থনের সম্ভাবনাই বেশি। কারণ তিনি দ্বি-পাক্ষিক সিরিজের উপর জোর দেওয়ার কথা ভেবে রেখেছেন। যা ভারতও চায়। আইসিসির সদ্য সাবেক হওয়া বোর্ডের সঙ্গে ভারতীয় বোর্ডের সব সমস্যার কারণই ছিল এই দ্বি-পাক্ষিক সিরিজ।

শশাঙ্ক মনোহরের আইসিসি প্রায় প্রতিবছর অন্তত একটি করে আইসিসি ইভেন্ট করার পক্ষে ছিল; কিন্তু, ভারতীয় বোর্ডের তাতে তীব্র আপত্তি ছিল। কারণ, সেটা হলে একে তো দ্বি-পাক্ষিক সিরিজগুলি গুরুত্ব হারায়, সে সঙ্গে আইপিএলের মতো টুর্নামেন্টেরও জনপ্রিয়তা কমে যায়। আইসিসির নতুন বোর্ডের কাছে ভারত চাইবে, যাতে দ্বি-পাক্ষিক সিরিজে তারা বেশি মনোনিবেশ করতে পারে।

উত্তর দিন

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রচার করা হবে না.