আলোচিত সংবাদ
সত্যের কথা বলে

ফুটবল ম্যাচে দর্শক উপস্থিতি নিয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রীর শঙ্কা

করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ের এই সময় বাংলাদেশ-নেপাল ম্যাচে দর্শক উপস্থিতি নিয়ে শঙ্কা প্রকাশ করেছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক। সামনে স্টেডিয়ামে দর্শক উপস্থিতির ব্যাপারে নতুন করে ভাবতে হবে বলেও জানান তিনি। এদিকে, দ্বিতীয় ম্যাচে টিকিটের আরো চাহিদা থাকলেও, নির্ধারিত পরিমাণ টিকিট বিক্রি করেছে বাফুফে। তাছাড়া শক্তভাবে স্বাস্থ্যবিধি মানানোর চেষ্টা করেছে বলেও দাবি করেন বাফুফে সহ-সভাপতি আতাউর রহমান মানিক। স্বল্প আকারে দর্শক মাঠে ফিরিয়ে লিগ এবং ফেডারেশন কাপ আয়োজনের কথাও জানান তিনি।
স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সবশেষ তথ্য মতে গত ২৪ ঘণ্টায় বাংলাদেশে মৃতের সংখ্যা ২১ জন। আর নেপাল বাংলাদেশ দ্বিতীয় ম্যাচের দিন গেল দুমাসে সর্বোচ্চ ৩৯ জনের মৃত্যু হয়েছিল। এখন পর্যন্ত আক্রান্ত চার লাখের বেশি। এই পরিসংখ্যান বলে দেয় কতটা করোনা ভাইরাস নিয়ে কতোটা ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় বাংলাদেশ।
এরই মধ্যে নেপাল-বাংলাদেশ প্রীতি আন্তর্জাতিক ম্যাচে সীমিত আকারে দর্শক প্রবেশের অনুমোদন দেয় ফুটবল ফেডারেশন। ৮ হাজারের জায়গায় মাঠে দর্শক উপস্থিতি ছিল প্রায় ১৫ হাজার। যা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন খোদ স্বাস্থ্যমন্ত্রী।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক বলেন, ‘স্টেডিয়ামে দেখলাম হাজার হাজার লোক খেলা দেখছে। আমার মনে হয় এ অবস্থা এখনো সৃষ্টি হয়নি। এখানে থেকেই করোনার প্রকোপ বাড়তে পারে। বিষয়টিকে নজরে আনতে হবে এবং নিয়ম মানতে হবে।’
ম্যাচ দুটিতে স্বাস্থ্যবিধির কঠোরতার কথা বলা হলেও, আদতে মানা হয়নি তেমন কোন বিধিই। নিরাপত্তা বেষ্টনী উপেক্ষা করে দর্শক মাঠে ঢোকার মতো ঘটনাও ঘটেছে। এসব বিষয়ে ব্যাখ্যা দিয়েছেন বাফুফের সহ-সভাপতি।
বাফুফে সহ-সভাপতি আতাউর রহমান মানিক জানান, ‘টিকিট বাড়ানোর জন্য কিন্তু মানববন্ধন হয়েছে। কিন্তু আমরা নিরাপত্তার কথা ভেবে বাড়াইনি। ২৬ হাজার আসনের মধ্যে মাত্র ৮ হাজার টিকিট ছেড়েছিলাম। কোভিড-১৯ এর বিষয়টা তীক্ষ্ণভাবে নজরে রাখবো।’
ডিসেম্বরে শুরু হবে নতুন ফুটবল মৌসুম। সেখানেও দর্শক উপস্থিতির অনুমোদন দিচ্ছে ফেডারেশন। যদিও এবারো স্বাস্থ্যবিধির ব্যাপারগুলো শক্তভাবে দেখবে বলছে দেশের ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থা।

উত্তর দিন

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রচার করা হবে না.