আলোচিত সংবাদ
সত্যের কথা বলে

জেলা প্রশাসকের  হাতে জমানো  টাকা তুলে দিল তৃতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী মুক্তা

জহিরুল ইসলাম স্টাফ রিপোর্টার:

তৃতীয় শ্রেণির ছাত্রী মুক্তা করোনায়  মোকাবেলার লক্ষ্যে,অসহায় এবং  কর্মহীন মানুষের জন্য স্কুলের টিফিনের জমানো টাকা জেলা প্রশাসকের ত্রাণ তহবিলে দিয়ে এক নজির সৃষ্টি করলো।

শনিবার দুপুরে সেন্ট মাদার তেরেসা স্কুলের তৃতীয় শ্রেণির ছাত্রী মুক্তা, তার সঞ্চয় কৃত মাটির ব্যাংকের দুই বছরের জমানো টাকা ঠাকুরগাঁও জেলা প্রশাসক ড. একেএম কামরুজ্জামান সেলিমের হাতে অসহায় দরিদ্রদের জন্য প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিলে দেবার জন্য তুলে দেয়।

এসময় জেলা প্রশাসক ড. একেএম কামরুজ্জামান সেলিম আবেগআপ্লুত হয়ে বলেন, ছোট্ট শিশুর মাটির ব্যংকে জমানো টাকা এভাবে অসহায় দরিদ্য মানুষের জন্য দেওয়াটা আমি অনুকরণীয় বলে মনে করছি। তার কোমল হৃদয়ে যে করোনার বিষয়টি আঘাত করেছে এবং সে এ ক্রান্তি লগ্নে গরিব অসহায়দের জন্য ভেবেছে এটাই বিশাল বড় পাওয়া।
দেশের এই সংকট মুহুর্তে স্কুল ছাত্রী মুক্তার এই অবদান আমরা সব সময় মনে রাখবো।

ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার জামালপুর ইউনিয়নের আব্দুল লতিফ ও নাসিমা বেগমের এক মাত্র কন্যা মুক্তা। এই সংকটে মেয়ের এমন দানে গর্বিত পিতা মাতা। স্কুল ছাত্রী মুক্তা জানান, আমি টিভিতে দেখেছি গরিব মানুষেৱা অসহায় ভাবে দিন যাপন করছেন। তারা  অনাহারে দিন কাটাচ্ছেন। তাই আমি আমার দুই বছরের টিফিনের জমানো টাকা ও বিভিন্ন সময় উপহারের জমানো টাকা এসব হত দরিদ্র গরিব মানুষদের জন্য দিয়ে দিলাম।

ছোট্ট শিশুর এমন অবদানে অভিভুত ঠাকুরগাঁওয়ের মানুষ। অনেকেই বলছেন, এটি যেমন গর্বের তেমনি সমাজের বিত্তবানদের জন্যে লজ্জারও বটে। কোমল মতি এই শিশুর দেখানো পথে সমাজের নিম্ন আয়ের মানুষদের পাশে বিত্তবানদের এগিয়ে আসার আহবান জানান।

উত্তর দিন

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রচার করা হবে না.