আলোচিত সংবাদ
সত্যের কথা বলে

ছয় কোম্পানির আইপিও অনুমোদন

প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের (আইপিও) মাধ্যমে পুঁজিবাজার থেকে অর্থ সংগ্রহের জন্য গত ৩ মাসে ৬টি কোম্পানিকে অনুমোদন দিয়েছে পুজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিচিজ এন্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)। কোম্পানিগুলো হলো-ওয়ালটন হাইটেক, মীর আখতার হোসেইন, অ্যাসোসিয়েট অক্সিজেন, এনার্জিপ্যাক পাওয়ার জেনারেশন, ডোমিনোজ স্টিল এবং এক্সপ্রেস ইন্স্যুরেন্স লিমিটেড। বিএসইসি সূত্রে এ তথ্য জানা যায়।

সূত্র জানায়, বর্তমানে আরো ১২টি কোম্পানির আইপিও বিএসইসির চুড়ান্ত অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছে। যেসব কোম্পানি কমিশনের চুড়ান্ত অনুমোদেনের অপেক্ষায় রয়েছে সেসব কোম্পানির মধ্যে ব্যবসায়িক সুনাম রয়েছে, দীর্ঘদিন ব্যবসার অভিজ্ঞতা রয়েছে এবং ভালো ব্যবসা করছে- এমন কোম্পানিই রয়েছে। তবে এই ১২টি কোম্পানির মধ্যেও তথ্য-উপাত্ত সঠিক না থাকলে কয়েকটির আবেদন বাতিল হতে পারে সুত্রটি আভাস দেয়।

এদিকে, গত ৩ মাসে বিএসইসি ১৩টি কোম্পানির আইপিও বাতিল করেছে। কোম্পানিগুলো হলো- ইনফিনিটি টেকনোলজি ইন্টারন্যাশনাল, বি ব্রাদার্স গার্মেন্টস, জেএমআই হসপিটাল রিক্যুইজিট ম্যানুফ্যাকচারিং, আল-ফারুক ব্যাগস, ডেল্‌টা হসপিটাল, গার্ডিয়ানা ওয়্যারস, বিডি পেইন্টস, বোনিতো এক্সেসরিজ ইন্ডাস্ট্রিজ, বেকা গার্মেন্টস অ্যান্ড টেক্সটাইল, এসএফ টেক্সটাইল ইন্ডাস্ট্রিজ, হজ্জ ফাইন্যান্স, থ্রি এঙ্গেল মেরিনার্স এবং নিয়ালকো অ্যালোস।

কোম্পানিগুলোর আইপিও আবেদন বাতিল করার মূল কারণ হলো আর্থিক হিসাবে গরমিল এবং স্থায়ী সম্পদের মিথ্যা বা সন্দেহজনক তথ্য প্রদান। কোম্পানির আয়ের সঙ্গে ভ্যাট-ট্যাক্সের এবং ব্যাংক হিসাবের মিল নেই। আবার কোন কোন কোম্পানির যৌক্তিক কারণ ছাড়াই রাতারাতি আয় বেড়ে গেছে।

জানা যায়, বিদ্যমান আইন অনুযায়ী, কোনো কোম্পানি মিথ্যা বা অতিরঞ্জিত তথ্যসংবলিত কোনো আইপিও প্রসপেক্টাস অনুমোদনের জন্য কমিশনে জমা দিতে পারে না। এটা শাস্তিযোগ্য অপরাধ। কিন্তু যেসব কোম্পানির আইপিও বাতিল হয়েছে, সেগুলোর সকল তথ্য যাচাই-বাছাই করে সংশ্নিষ্ট ইস্যু ম্যানেজার প্রতিষ্ঠানগুলো (মার্চেন্ট ব্যাংক) সকল তথ্য সঠিক মর্মে সার্টিফিকেট দিয়েছিল। এমনকি অডিটর প্রতিষ্ঠানগুলোও আর্থিক প্রতিবেদনের অসংগতি নিয়ে কোনো প্রশ্ন তোলেনি। মিথ্যা ও অতিরঞ্জিত তথ্য দিয়ে করা আইপিও আবেদন বাতিল করা হলেও একটি বাদে সংশ্নিষ্ট কোম্পানি, ইস্যু ম্যানেজার (মার্চেন্ট ব্যাংক) এবং অডিটর প্রতিষ্ঠানগুলোর বিরুদ্ধে কোনো আইনি ব্যবস্থা এখনো নেয়নি বিএসইসি। কোম্পানিগুলোর আবেদনে মিথ্যা তথ্য-উপাত্ত সন্নিবেশ করার ক্ষেত্রে যেসব ইস্যু ম্যানেজার ও অডিট ফার্ম জড়িত ছিল, সেগুলোকেও আইনের আওতায় আনার জোর দাবি জানান বাজার সংশ্লিষ্টরা।

স্বপ্ন রোজ / ০৯-০৯-২০২০/ আলোচিত সংবাদ।

উত্তর দিন

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রচার করা হবে না.