নাটোর প্রতিনিধিঃ
নাটোর জেলায় বিভিন্ন ফলের উৎপাদন এক যুগে প্রায় দ্বিগুণ হলেও ন্যায্যমূল্য না পাওয়ায় ক্ষতির মুখে পড়ছেন চাষিরা।
স্থানীয় বাজারে পর্যাপ্ত ক্রেতা না থাকায় ফল বিক্রি করতে গিয়ে অনেকেই লোকসান গুনতে হচ্ছে।
ফল সংরক্ষণের জন্য হিমাগার নির্মাণ এবং রফতানি সহজ করতে সরকারের কাছে দাবি জানিয়েছেন কৃষকরা।
কৃষি বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালে নাটোর জেলায় দেশি ও বিদেশি মিলিয়ে ১৫ ধরনের ফলের আবাদ হয়েছে।
২০১৩ সালে ৬ হাজার ৪৩ হেক্টর জমিতে ফলের চাষ হতো, যা ২০২৫ সালে বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১০ হাজার ৪৭৮ হেক্টরে।
তবে উৎপাদন বৃদ্ধি হলেও সার, কীটনাশক ও শ্রমিক খরচ বেড়ে যাওয়ায় বর্তমান বাজারদরে চাষিরা কাঙ্ক্ষিত লাভ পাচ্ছেন না।
কৃষকরা অভিযোগ করেছেন, প্রতিটি ফলের ভরা মৌসুমে তাদের লোকসান হয়।
মৌসুমের শুরু ও শেষের দিকে কিছুটা ভালো দাম পাওয়া গেলেও মাঝামাঝি সময়ে ফল একসাথে বাজারে আসায় দাম কমে যায়। ফলে ক্ষতির মুখে পড়তে হচ্ছে।
ফল সংরক্ষণের জন্য হিমাগার নির্মাণ এবং রফতানিতে বিমান ভাড়া কমানোর দাবি জানিয়েছেন কৃষকরা।
চাষি সেলিম রেজা বলেন, একসঙ্গে বিপুল পরিমাণ ফল বাজারে আসায় লোকসান গুনতে হচ্ছে। হিমাগারের ব্যবস্থা থাকলে এই ক্ষতি হতো না।
তিনি আরও বলেন, বিদেশে রফতানির সময় প্রতি কেজি ফলে প্রায় ৩০০ টাকা ভাড়া নেওয়া হয়, যা খুবই বেশি। সরকারের উদ্যোগে কম ভাড়ায় রফতানির ব্যবস্থা হওয়া প্রয়োজন।
আরেক কৃষক রাশেদ জানান, পেয়ারার দাম কখনো ১০ থেকে ১৫ টাকা কেজি, আবার কখনো ৫০ থেকে ৬০ টাকা কেজি হয়।
এই দামের ওঠানামার কারণে বড় ধরনের লোকসান গুনতে হচ্ছে। উৎপাদন খরচ অনুযায়ী ফলের দাম নির্ধারণ করা প্রয়োজন।
আরেক কৃষক রাশেদ জানান, পেয়ারার দাম কখনো ১০ থেকে ১৫ টাকা কেজি, আবার কখনো ৫০ থেকে ৬০ টাকা কেজি হয়।
| ফজর | ৫.৩০ মিনিট ভোর |
|---|---|
| যোহর | ১.৩০ মিনিট দুপুর |
| আছর | ৪ টা বিকাল |
| মাগরিব | ৬ টা সন্ধ্যা |
| এশা | ৭.৩০ মিনিট রাত |
| জুম্মা | ১.৪০ মিনিট দুপুর |