আলোচিত সংবাদ নিউজ ডেস্কঃ
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট ২০২৬ উপলক্ষে ঢাকা-৭ আসনের ১৬৪টি কেন্দ্রে একযোগে ভোটগ্রহণ শুরু হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) সকাল সাড়ে ৭টা থেকে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত বিরতিহীনভাবে ভোটগ্রহণ চলবে।
ঢাকা-৭ আসনের বিভিন্ন কেন্দ্র ঘুরে দেখা যায়, নির্ধারিত সময়ের আগেই ভোটাররা কেন্দ্রে এসে লাইনে দাঁড়িয়ে ভোট প্রদানের জন্য অপেক্ষা করছেন। দীর্ঘদিন পর ভোট দিতে এসে অনেকের চোখেমুখে উচ্ছ্বাসের ছাপ লক্ষ্য করা যায়।
বিভিন্ন কেন্দ্রে সশস্ত্র বাহিনীসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের ব্যাপক উপস্থিতি দেখা গেছে। কোথাও কোনো ধরনের অনিয়ম বা অপ্রীতিকর পরিস্থিতি চোখে পড়েনি।
পুরান ঢাকার আরমানিটোলা সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে নূর বক্স লেনের বাসিন্দা মো. আমজাদ হোসেন তাঁর স্ত্রীকে সঙ্গে নিয়ে ভোট দিতে আসেন। তিনি বাংলাদেশ প্রতিদিনকে বলেন, গত দুই সংসদ নির্বাচনে ভোট দিইনি।
এবার সকাল সকাল স্ত্রীকে সঙ্গে নিয়ে ভোট দিতে এসেছি। খুবই সুষ্ঠু ও সুন্দর পরিবেশে ভোট দিতে পেরেছি। কোনো ধরনের সমস্যা নেই।ঢাকা-৭ আসনে মোট ১১ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
তারা হলেন- মাকসুদুর রহমান (বাংলাদেশ সাংস্কৃতিক মুক্তিজোট-মুক্তিজোট), মোহাম্মদ ইসহাক সরকার (স্বতন্ত্র-বিএনপি), মোহাম্মদ সাইফুদ্দিন আহমেদ মিলন (জাতীয় পার্টি), মো. আবদুর রহমান (ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ), মো. এনায়াত উল্লা (বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী), মো. শহিদুল ইসলাম (বাংলাদেশ জাতীয় পার্টি), মো. হাবিবুল্লাহ (বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলন), শফিকুর রহমান (বাংলাদেশ রিপাবলিকান পার্টি-বিআরপি), শাহানা সেলিম (জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল-জেএসডি), সীমা দত্ত (বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল-মার্কসবাদী) এবং হামিদুর রহমান (বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল)।তবে এ আসনে মূল প্রতিদ্বন্দ্বিতা হবে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী হামিদুর রহমান, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. এনায়াত উল্লা এবং বিএনপির বিদ্রোহী (স্বতন্ত্র) প্রার্থী মোহাম্মদ ইসহাক সরকারের মধ্যে। এই এলাকায় মোট ভোটার সংখ্যা ৪ লাখ ৭৯ হাজার ৩৭৬ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ২ লাখ ৪৮ হাজার ৪৮১ জন, নারী ভোটার ২ লাখ ৩০ হাজার ৮৮৩ জন এবং হিজড়া ভোটার ১২ জন।ঢাকা-৭ আসন ঢাকা জেলার ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের ২৩, ২৪, ২৫, ২৬, ২৭, ২৮, ২৯, ৩০, ৩১, ৩২, ৩৩, ৩৫, ৩৬, ৫৬ ও ৫৭ নম্বর ওয়ার্ড নিয়ে গঠিত।
এ আসনের অন্তর্ভুক্ত থানাগুলো হলো- লালবাগ, চকবাজার, বংশাল, কামরাঙ্গীরচর (আংশিক) ও কোতোয়ালী (আংশিক)। সীমানা পূর্বে নাজিরাবাজার, পশ্চিমে হাজারীবাগ, উত্তরে পলাশী এবং দক্ষিণে কামরাঙ্গীরচর।