| বঙ্গাব্দ
ad728
ad728

বিদ্যুতের প্রিপেইড মিটার সংযোগের পরও ‘ভূতুরে বিল, ক্ষুদ্ধ এলাকাবাসী

রিপোর্টারের নামঃ Super Admin
  • আপডেট টাইম : 25-02-2026 ইং
  • 6592 বার পঠিত
বিদ্যুতের প্রিপেইড মিটার সংযোগের পরও ‘ভূতুরে বিল, ক্ষুদ্ধ এলাকাবাসী
ছবির ক্যাপশন: বিদ্যুতের প্রিপেইড মিটার সংযোগের পরও ‘ভূতুরে বিল, ক্ষুদ্ধ এলাকাবাসী

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

কুমিল্লা বিদ্যুৎ বিভাগের বিদ্যুৎ বিতরণ বিভাগ ৩ এ ভয়াবহ দূর্ণীতি । জড়িয়ে আছে নির্বাহী প্রকৌশলী থেকে শুরু করে এসিটেন্ট  ইঞ্জিনিয়ার সহ মিটার রিডারাও।

বিদ্যুৎ উন্নয় বোর্ড (পিডিবি)  প্রিপেইড মিটার স্থাপন করার জন্য একাধিকবার চাপ প্রদান অব্যহত রেখেছে গ্রাহকদেরকে, কারোও কারোও বকেয়া বিল পরিশোধ  করার পরও সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হচ্ছে এবং পু:ণরায় সংযোগ নিতে হলে বকেয়া বিল জরিমানাসহ প্রিপেইড মিটার প্রতিস্থাপন করার জন্য চাপ প্রয়োগ করেন । 

প্রিপেইড মিটার লাগানোর পর কয়েকমাস পর আসছে ভূতুরে বিল ফলে গ্রাহকরা হচ্ছেন হয়রানীর শিকার । 

বকেয়া বিল পরিশোধ করার পরও এমন ভূতুরে বিল গ্রাহকদের মধ্যে হতাশা দেখা দিয়েছে।

 বিল পরিশোধ করার পরও প্রিপেইড মিটার লক করে দেওয়া হচ্ছে। এ যেন এক মরার উপর খাড়ার ঘা। 

প্রিপেইড মিটার লক করার পর আর টাকা প্রবেশ করাতে পারছেন না কয়েক জন বিদ্যুৎ ব্যবহারকারী গ্রাহকরা। 

তারা ক্ষুব্দ হয়ে বলেন আমাদের বকেয়া বিল পরিশোধ করার পরও কেন তারা মিটার লক করে দেয় তা আমরা বুঝি না? 

এই ভোগান্তি সমাধানের জন্য অনেক গ্রাহক, অফিসে গিয়েছেন কিন্তু বর্তমানে রমজান মাসে দাপ্তরিক সময় সীমা ৩ টা পর্যন্ত করলে গ্রাহকরা বিদ্যুৎ অফিসে এসে দেখে অফিস বন্ধ হয়ে গেছে।

তাতে ভোগান্তি আরোও বেড়ে যায়। সেহেরীর সময় গ্রাহকরা থাকতে হয় মোমবাতি জ্বালিয়ে সেহেরী খেতে হয়। 

মিটারে টাকা প্রবেশ করাতে ব্যার্থ হলে কারোও কারোও বাড়িতে ফ্রিজের সকল ধরনের কাঁচা দ্রবাদ্যি নষ্ট হয়ে গেছেন এমন অভিযোগ পাওয়া গেছে।   

অভিযোগের তীর খুদ মিটার রিডার আনিসের বিরুদ্ধে তিনি মিটারে ইউনিট জমিয়ে রেখে গ্রাহকদেরকে মোটা অঙ্কের  বিল হাতে ধরিয়ে দিচ্ছে। 

তার মুঠো ফোনে জানতে চাওয়া হয় আপনাকে কি কোন গ্রাহক মিটারে ইউনিট জমিয়ে রেখে কম বিল দেওয়ার জন্য কোন গ্রাহক বলেছেন কিনা? তার উত্তরে তিনি না সূচক উত্তর প্রদান করেন।

প্রতিবেদক জানতে চান আপনি এমন কাজ কেনো করেছেন, তিনি সদোত্তরে কোন কিছু বলতে পারেন নি। 

তবে উপসহকারী প্রকৌশলী আয়ুব আলী’কে এ বিষয়ে তার মুঠো ফোনে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমি একটি মামলার কাজে  কোর্টে আছি তবে তাকে মিটার লক করা বিষয় জানতে চাইলে তিনি বলেন লক আন লক যেহেতু আমার সাথে হয় নাই এটার বিষয়ে আমি কোন কিছু বলতে পারতেছি না।

যেখান থেকে মিটার আনল করেছেন ওই রুমে কথা বলতে হবে যেহেতু আমি লক করি নাই।

তিনি জানান লক করার বিষয়টি হয় ঢাকা থেকে আর আনলক করা হয় আমাদের এখান থেকে । 

তাকে যখন প্রশ্ন করা হয় পদুয়ার বাজার বিশ্বরোডের এলাকার বিষয়টি দেখেন তাহলে মিটারের বিলের পরিশোধের বিষয়টি কি আপনি আপডেট দেন নাই? তিনি বলেন, এটা আমার কাজ না ভাই এটা আমার কাজ না।

পদুয়ার বাজার বিশ্বরোড এলাকাটিতে আমি দেখি বিষয়টি এইরকম না।

এখানে তো কাজ ভাগ, ভাগ করা আছে , আমার কাজ হচ্ছে লাইন টাইন সমস্যা হলে দেখা মূলত সবাই মিলে কাজ করে একজনে মিলে করে না। 

এত এত অভিযোগের বিষয়ে সরাসরি নির্বাহী প্রকৌশলী পারভেজ এর কাছে তার অফিসে গিয়ে কথা বলতে গেলে তিনি কাগজপত্র দেখে এক পর্যায়ে বলেন আপনি বকেয়া বিল পরিশোধ করেছেন তবে এটি আপডেট হতে এক মাস সময় লাগে।

তাহলে কেন গ্রাহকদের বিল পরিশোধের কাগজ দেখানোর পর মিটার আনলক করা হয়েছে আবার লক করা হয়েছে। তিনি বলেন,  পরিশোধের বিল ১০১ নম্বর রুমে বা অফিসে দেখিয়েছেন কিনা?  

প্রতিউত্তরে  ভূক্তভোগী যখন বলেন পরিশোধের বিল না দেখালে মিটার আনলক করলো কিভাবে।

তখন তিনি বলেন, আপনার বিষয়টি দেখবো। যখন জানতে চাওয়া হয় গতকাল থেকে মিটার লক করার কারণে টাকা প্রবেশ করাতে ব্যার্থ হওয়ায় রমজানের কাঁচামাল নষ্ট হয়ে গিয়েছে এর দায়ভার কি আপনি নিবেন বা আপনার অফিসের কোন কর্মকর্তা নিবেন? 

এ প্রশ্নে জবাবে তিনি বলেন আমরা বিষয়টি দেখছি। তিনি প্রতিবেদককে একজন রাজনৈতিক প্রভাবশালী ব্যাক্তি  দ্বারা ফোন করান যা প্রতিবেদকের জন্য 

সংবাদ পরিবেশনে প্রতিবন্ধকতা এবং হুমকি সরুপ। 

নির্বাহী প্রকৌশলী পারভেজ কোন কিছুই জানেনা তাহলে কে জানে ?  এ সচেতন মহলের দাবি সংশ্লিষ্ট দপ্তরের  দায়িত্বশীলদের গাফিলতির বিষয়ে তদন্ত পূর্বক আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগী এলাকাবাসী।

ad728

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
ad728
ad728
ফেসবুকে আমরা...
নামাজের সময়সূচী
জাতীয় সঙ্গীত
©সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ আলোচিত সংবাদ | আমাদের সাইটের কোন বিষয়বস্তু অনুমতি ছাড়া কপি করা দণ্ডনীয় অপরাধ
সকল কারিগরী সহযোগিতায় এলিট ডিজাইন