মোর্শেদুল আলম, সাতকানিয়া,চট্টগ্রাম, প্রতিনিধিঃ
চট্টগ্রামের সাতকানিয়া উপজেলার ঢেমশা চৌধুরীহাট থেকে বড়ুয়া পাড়া হয়ে ঢেমশা এলাকার গুরুত্বপূর্ণ সংযোগ সড়কটি দীর্ঘদিন ধরে সংস্কার না হওয়ায় চরম দুর্ভোগে পড়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। স্থানীয়দের দাবি, ইটের তৈরি এই সড়কটি এক যুগেরও বেশি সময় ধরে বড় ধরনের কোনো সংস্কারকাজের মুখ দেখেনি। ফলে বিভিন্ন স্থানে সৃষ্টি হয়েছে অসংখ্য গর্ত ও ভাঙাচোরা অংশ, যা এখন জনদুর্ভোগের অন্যতম কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
সম্প্রতি কার্তিকের দোকান থেকে কালি মন্দির পর্যন্ত সড়কে উন্নয়নকাজ চলমান থাকায় বিকল্প পথ হিসেবে চৌধুরীহাট-বড়ুয়া পাড়া সড়ক ব্যবহার করছেন এলাকাবাসী। কিন্তু দীর্ঘদিনের অবহেলায় বেহাল হয়ে পড়া এ সড়কে চলাচল করতে গিয়ে নিত্য ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন সাধারণ মানুষ।
স্থানীয়দের অভিযোগ, সড়কের বিভিন্ন স্থানে বড় বড় গর্ত সৃষ্টি হওয়ায় সিএনজিচালিত অটোরিকশা, মোটরসাইকেল ও অন্যান্য যানবাহন চলাচলে প্রায়ই সমস্যার সৃষ্টি হচ্ছে। অনেক চালক ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থার কারণে এ পথে চলাচল করতে অনীহা প্রকাশ করছেন।
এ পথ দিয়ে প্রতিদিন স্কুল-কলেজগামী শিক্ষার্থী, কৃষক, ব্যবসায়ী, চাকরিজীবীসহ হাজারো মানুষ যাতায়াত করেন। কিন্তু গুরুত্বপূর্ণ এই সড়কের দুরবস্থা দীর্ঘদিনেও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নজরে না আসায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন স্থানীয়রা।
এলাকাবাসীর ভাষ্য, ঢেমশা যেন উন্নয়নবঞ্চিত এক জনপদের নাম। সড়ক সংস্কারের দাবিতে বহুবার বিভিন্ন দপ্তরে যোগাযোগ করা হলেও কার্যকর কোনো উদ্যোগ দেখা যায়নি। ফলে প্রতিনিয়ত দুর্ভোগ নিয়েই চলাচল করতে হচ্ছে সাধারণ মানুষকে।
স্থানীয়দের মতে, ঢেমশা যেন অভিভাবকহীন এক জনপদ। বছরের পর বছর ধরে অবকাঠামোগত নানা সমস্যার মুখোমুখি হলেও সেগুলোর স্থায়ী সমাধানে কার্যকর উদ্যোগ চোখে পড়ে না। সড়ক সমস্যার পাশাপাশি এলাকায় রয়েছে অপর্যাপ্ত ড্রেনেজ ব্যবস্থা, জলাবদ্ধতা এবং নিরাপদ চলাচলের সংকট।
স্থানীয় প্রবীণ বাসিন্দারা জানান, বছরের পর বছর ধরে সড়কটির অবস্থা খারাপ হতে হতে এখন এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে যে অনেক যানবাহন চালক এ পথে চলাচল করতে চান না। এমনকি জরুরি রোগী পরিবহনের ক্ষেত্রেও অনেক চালক অনাগ্রহ দেখান। এতে চরম ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে স্থানীয় বাসিন্দাদের।
তারা দ্রুত সড়কটি পুনর্নির্মাণ অথবা টেকসই সংস্কারের দাবি জানিয়েছেন। স্থানীয়দের মতে, এলাকার অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড, শিক্ষা ও যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নের জন্য এই সড়কের আধুনিকায়ন এখন সময়ের দাবি।
এক যুগেরও বেশি সময় ধরে সংস্কারবঞ্চিত এ সড়কটি যেন গ্রামীণ অবকাঠামো উন্নয়নের বাস্তব চিত্র তুলে ধরছে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দ্রুত উদ্যোগই পারে হাজারো মানুষের দীর্ঘদিনের ভোগান্তির অবসান ঘটাতে।
স্থানীয়দের প্রশ্ন, হাজারো মানুষের প্রতিদিনের দুর্ভোগ কি সংশ্লিষ্টদের নজরে আসে না? উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি থাকলেও বাস্তবে কেন বারবার ভোগান্তির শিকার হতে হবে সাধারণ মানুষকে? এসব প্রশ্নের উত্তর খুঁজছেন ঢেমশাবাসী।
| ফজর | ৫.৩০ মিনিট ভোর |
|---|---|
| যোহর | ১.৩০ মিনিট দুপুর |
| আছর | ৪ টা বিকাল |
| মাগরিব | ৬ টা সন্ধ্যা |
| এশা | ৭.৩০ মিনিট রাত |
| জুম্মা | ১.৪০ মিনিট দুপুর |